Showing posts with label ইসলামী প্রবন্ধ. Show all posts
Showing posts with label ইসলামী প্রবন্ধ. Show all posts

কুরআন-সুন্নাহর ফয়সলায় শবে বরা'ত !

কুরআন-সুন্নাহর ফয়সলায় শবে বরা'ত !
শবে বরাত পালন বিদয়াত' না ইবাদাত ?

শবে বরাত, লাইলাতুন নিছফি মিন শা‘বান বা মধ্য শাবানের রজনী হচ্ছে আরবী শা'বান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে শব-ই-বরাত নামে পালিত একটি পূণ্যময় রাত। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানগণ বিভিন্ন কারণে এটি পালন করেন। মধ্য শাবানের এ রজনী নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এ রাতের ফজিলতের মহাগুরুত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। কুরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞানই এই পথ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। আর এতে মুসলিম উম্মাহর বিভাজনের রেখা অনেকাংশেই মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, শবে বরাত নিয়ে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে কোন বিভেদ-বিবাদ নেই। আছে এই দিনকে কেন্দ্র করে যে সকল বিদয়াত আমাদের সমাজে প্রচলিত হয়েছে সে সকল বিদয়াত নিয়ে। সহীহ হাদীস দ্বারা জানা যায় রাসুল (সাঃ) প্রতি চন্দ্র মাসে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখতেন।

Religions and their Representation

Religions and their Representation



Religions and their Representation
Written by Dr. khandaker Abdullah Jahangir
and published in Bangladeshi daily
“The Independent” on November 22, 2006
Thanks to Dr. Dennis D Datta. He justly observed that a religion should not be held responsible for crimes of its followers, even though it is the highest religious institute of that religion. This is what we ask Pope Benedict XVI to reflect on. If Islam is considered violent or irrational for wrongdoing of its followers, then Christianity must be blamed in the same way.

যৌতুক: এক অভিশপ্ত সামাজিক ব্যাধি, বহু কবীরা গুনাহর সমষ্টি !

যৌতুক: এক অভিশপ্ত সামাজিক ব্যাধি, বহু কবীরা গুনাহর সমষ্টি !

আমাদের সমাজে যৌতুক গ্রহণের অপর কারণটি হচ্ছে, আল্লাহর প্রতি ভয়হীনতা এবং শরীয়তের বিধানের প্রতি অবজ্ঞা ও উদাসীনতা। নারীর মর্যাদা দান ও নারীর আর্থিক অধিকার সুরক্ষায় ইসলাম যে বিধিবিধান দিয়েছে তার প্রতি সাধারণ পর্যায়ের সম্মানবোধ থাকলে কোনো বরের পরিবারের পক্ষেই যৌতুক গ্রহণের কোনো উদ্যোগ থাকার কথা ছিল না। অথচ যৌতুক গ্রহণের সঙ্গে এ সম্মানবোধের কোনো সম্পর্ক নেই। বিশেষত যৌতুকের নামে ‘দেনা-পাওনা’ ধার্য করা এবং তা উসূল করার নির্মম পর্যায়গুলোতে ন্যূনতম স্তরের মানুষির কোনো আলামত দৃশ্যত থাকে না। এটা শরীয়তের বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। তাই অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকলে এটা সম্ভব হওয়ার কথা নয়।

ধার্মিক মানুষের আত্মশুদ্ধি পরিত্যাগের বিদ‘আত !

অনেক ধার্মিক ও ইসলামপ্রেমিক মানুষ রাসূলুলাহ সাঃ ও তাঁর সাহাবীগণের অনুরূপ আত্মিক অবস্থা অর্জনে একেবারেই আগ্রহী নন। অনেকেই মোটামুটি দ্বীনের মৌলিক বিধিবিধান পালন করলেও সর্বদা বেশি বেশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে অবহেলা করেন। আমাদের হৃদয়ের কাঠিন্য দূরকরার চেষ্টাও আমরা করি না।
সাধারণত আমরা আমাদের কর্মে সন্তুষ্ট। আমরা আমাদেরকে ভালো মনে করি, অন্যান্য মানুষদের চেয়ে আল্লাহর পথে বেশি অগ্রসর মনে করি। আল্লাহ যদি কাউকে কিছু নেক আমল করার তাওফীক দান করেন তাহলে তার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া ও স্থায়িত্বের দোয়া না করে উক্ত আমলকে নিজের কৃতিত্ব মনে করে নিজের উপর খুশি ও সন্তুষ্ট হই এবং নিজেকে অন্যান্য দ্বীনদার মানুষের চেয়ে উত্তম মনে করে অহংকারে নিপতিত হই।

ইসলামী অভিবাদন

ইসলামে আসলে সালামের গুরুত্বটা কি?

মানুষ একে অন্যের কল্যাণ কামনা করে সে মুসলিম কিংবা অমুসলিম হোক। সালাম কল্যাণেরই একটি নমুনা। পবিত্র কুরআনে কয়েকটি আয়াতের বলা হয়েছে-
وَإِذَا جَاءَكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِنَا فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ অর্থ: আর যখন তারা আপনার কাছে আসবে যারা আমার নিদর্শন সমূহে বিশ্বাস করে, তখন আপনি বলে দিনঃ তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। (সূরা-আল আনআম, অধ্যায়-৬, আয়াত-৫৪)
وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ حَسِيبًا অর্থ: আর তোমাদের যদি কেউ দোয়া করে, তাহলে তোমরাও তার জন্য দোয়া কর, তার চেয়ে উত্তম দোয়া অথবা তারই মত ফিরিয়ে বল। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে হিসাব-নিকাষ গ্রহণকারী। (সূরা-আন নিসা, অধ্যায়-৪, আয়াত-৮৬)

ইমাম ও ইমামতি

ইমাম ও ইমামতি


ইমাম ও ইমামতি

আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়।

এইডস প্রতিরোধে ইসলাম

এইডস প্রতিরোধে ইসলাম
মুহাম্মাদ আতীকুল ইসলাম

রোগ-ব্যাধি আল্লাহ তা‘আলা দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোন কোন রোগ মানুষের পাপের কারণে আল্লাহর পক্ষ থেকে গযব হিসাবে আসে। ‘এইডস’ তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য। ‘এইডস’ হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাধি। পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চলে এটি এক নম্বর ঘাতক ব্যাধি।
সাহারা মরুভূমির আশে পাশে ৪৮টি দেশের মৃত্যুর প্রধান কারণ এইডস। এইডস (AIDS)-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Aequired Immune Deficiency Syndrome. এটি এইচ.আই.ভি. (HIV) Human Immuno Deficiency Virus দ্বারা সংক্রমিত হয়। এইডস-এর ফলে সকল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যায়। ফলে ঐ ব্যক্তি যে কোন সময় যে কোন রোগে আক্রান্ত হ’তে পারে। এখন পর্যন্ত এইডস এর কোন প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। তাই এইডস হ’লে মৃত্যু অবধারিত। একুশ শতকে বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এইডস-এর প্রতিষেধক আবিষ্কার করা।

দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করা ও দারিদ্রতার মাহাত্ম্য

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

 
আল্লাহ তাআলা বলেন,
“বস্তুতঃ পার্থিব জীবনের দৃষ্টান্ত তো বৃষ্টির মত, যা আমি আসমান হতে বর্ষণ করি। অতঃপর তার দ্বারা উৎপন্ন হয় ভূপৃষ্টের উদ্ভিদগুলো অতিশয় ঘন হয়, যা থেকে মানুষ ও পশুরা ভক্ষণ করে।

মধ্যযুগের মুসলিম লেখক ও বাংলা সাহিত্য



মোজাফফর হোসেন
যেকোনো ভাষার উন্নত সাহিত্য মানবজীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনাকে গভীর থেকে অনুভব করার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সময়ের ব্যবধানে সাহিত্য একটি সমাজকে অনায়াসে বদলেও দিতে পারে। একটি জাতির মানস গঠনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে সাহিত্য। সুতরাং সাহিত্য ও তার লেখককে কখনোই অবহেলার দৃষ্টিতে দেখার অবকাশ নেই
সাহিত্য মানুষের মনের দুয়ার খুলে দেয়। মনের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত আবেগ অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলে সাহিত্য। যেকোনো ভাষার উন্নত সাহিত্য মানবজীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনাকে গভীর থেকে অনুভব করার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সময়ের ব্যবধানে সাহিত্য একটি সমাজকে অনায়াসে বদলেও দিতে পারে। একটি জাতির মানস গঠনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে সাহিত্য।

ইসলামে কাজের গুরুত্ব

ইসলামে আমল বা কাজ হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ধর্ম, ঈমান ও উত্তম জীবনযাপনের পাথেয় হিসেবে কাজই হলো মূল। এজন্যই ইসলাম ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের নিরাপত্তার জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের উপর জোর দিয়েছে। ইসলামের এ দিকটি বাস্তবায়নের অভাবেই আমরা বিশ্বব্যাপী বেকারত্ব ও দারিদ্র দেখতে পাই। আরব ও মুসলিম বিশ্বে অধিকাংশ জনসংখ্যাই বেকারত্ব, ক্ষুধা, দারিদ্র ও দুর্ভিক্ষের কষাঘাতে নিষ্পেষিত।
তাদের অনেকেই জীবন ধারণের মৌলিক উপাদান খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ও তারা দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে। অথচ এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর বিপরীত। কেননা তিনি বলেছেন,

দ্বীনি শিক্ষার ভবিষ্যৎ


ডা: সাখাওয়াত হুসাইন
মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের নামে অভিন্ন পাঠ্যপুস্তক চালুর মাধ্যমে আলিয়া নেসাবের মাদরাসা শিক্ষার স্বাতন্ত্র্য নষ্ট করে মাদরাসা শিক্ষা অকার্যকর করার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আরবি সাহিত্য, কুরআন-হাদিস, ফিকহ, নাহু-ছরফসহ কয়েকটি বিষয় ছাড়া বাকি সবক্ষেত্রে স্কুলের পাঠ্যপুস্তক পড়ানো হচ্ছে। বইয়ের কাভারে ইবতেদায়ি বা দাখিল লেখা থাকলেও বই মূলত স্কুলের।
শিক্ষার্থীদের হাতে যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হয়েছে, তাতে মাদরাসাছাত্রদের হিন্দুত্ববাদ পড়তে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ইসলামি চেতনাসম্পন্ন প্রবন্ধ, গল্প ও কবিতা বাদ দিয়ে সেখানে দেয়া হয়েছে পৌত্তলিকতাবাদী ও নাস্তিক্যবাদী গল্প-কবিতা। মাদরাসার সিলেবাসেও একইভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলা সাহিত্য বইয়ের ১৪৪টি কবিতা ও গল্পের মধ্যে ৭৫টি অমুসলিম ও ধর্মহীন ব্যক্তিদের।

নেশাকারী আল্লাহর অপছন্দ

এহসান বিন মুজাহির
মদ ও নেশায় আসক্ত হওয়া জঘন্যতম একটি পাপ। বর্তমান সমাজে মদ ও নেশা জন্ম দিচ্ছে একের পর এক অপরাধ। নেশার ছোঁয়ায় সম্ভাবনাময় তারুণ্য অধঃপতনের চরম শিখরে উপনীত হচ্ছে। নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্তি সারা বিশ্বের তারুণ্যের মধ্যে এক ভয়াবহ মহামারী রূপে দেখা দিয়েছে। মাদক এখন সহজলভ্য। শহর-নগর, গ্রামসহ মফস্বল এলাকায়ও হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়।
আশির দশকের শেষ দিকে ফেনসিডিলের আবির্ভাব হয়। পর্যায়ক্রমে এটার ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে। নব্বইয়ের দশকে মাদকের জগতে সংযোজন হয় ইয়াবা।
এ ছাড়া গাঁজা, আফিম, চরশ, বাংলা মদ, গুল, মরফিন, কোকেন, বিয়ার, ওয়াইন, হেরোইন প্যাথেলিন, মারিজুয়ানা, ডেক্রপরটেন, প্যাথেডিন, ইকসটামি, এলএসডি, ইলিকসার, চোলাইমদসহ রকমারি মাদকের সাথে তরুণদের সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বিধ্বংসকারী মাদকের বিস্তার সমাজে যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে সচেতন অভিভাবকমহল উদ্বিগ্ন। দেশের আগামী ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় তারুণ্যশক্তি বিপর্যয়ের মুখে।

পাঠ্যপুস্তকে মুসলমানিত্ব আংশিক ছাঁটাই : হিন্দুত্বের আংশিক প্রবেশ

যারা রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের ঘোরতর প্রতিপক্ষ, সেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলও আওয়ামী লীগকে সরাসরি ইসলামবিরোধী দল হিসাবে আখ্যায়িত বা চিহ্নিত করেনি। যারা বামপন্থি বলে দাবি করে এবং সরাসরি কমিউনিজমের কথা বলে সেই বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রভৃতি দল ইসলাম বিরোধী হিসাবে চিহ্নিত। কারণ কমিউনিজমে ধর্মকে আফিম হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই তারা যখন ঠারে-ঠোরে বা প্রকাশ্যে ইসলামের বিরোধিতা করে তখন মানুষ অবাক হয় না। কারণ ধর্মের বিনাশের জন্যই তাদের জন্ম। আওয়ামী লীগ এতদিন সেই পথে হাঁটেনি। বরং মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে এবং বাংলাদেশ আমলে অসংখ্যবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোন আইন পাস করবে না। শেখ মুজিব যতদিন পাকিস্তানের কাঠামোতে রাজনীতি করেছেন ততদিন অর্থাৎ ১৯৭১ সালের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্তও ইসলাম বিরোধী বাক্য উচ্চারণ করেননি। ইসলাম বিরোধিতা তো দূরের কথা, ধর্মনিরপেক্ষতার কথাও তিনি উচ্চারণ করেননি। বর্তমান বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলে মাত্র দুটি নির্বাচন হয়েছে। একটি ১৯৫৪ সালে।

বৈধ ও অবৈধ গীবত ! ( ১ম পর্ব )


বৈধ ও অবৈধ গীবত !
মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ জীবনযাপন ছাড়া একাকী জীবন যাপন করা মানুষের পক্ষে সহজ নয়, তেমনটি কেউ কামনাও করে না। আবার পরিচিত সমাজের বাইরেও মানুষের পক্ষে চলা খুবই কঠিন। পৃথিবীর সমাজবদ্ধ কোনো মানুষই সামাজিক বিপর্যয় কামনা করতে পারেন না।
মানুষ সব সময় সুখ ও শান্তি চায়। শান্তি মানুষের একটি আরাধ্য বিষয়। কিন্তু এই প্রত্যাশিত সুখ-শান্তি নির্ভর করে সমাজবদ্ধ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর। উঁচু-নিচু, ধনী-দরিদ্র­ এসব পার্থক্যই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। মানুষের পারস্পরিক পরিচয়ের জন্যই এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ সূরা হুজরাতে এরশাদ করেছেন,

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন !

ভূমিকা


إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তার কাছেই সাহায্য চাই, তার নিকটই ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের ক্ষতি থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়াত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নেই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরিক নাই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত অবধি কল্যাণের সাথে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় বান্দাদের প্রতি অধিক দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি তার বান্দাদের যে কোনো উপায়ে ক্ষমা করতে ও তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন। এ কারণেই আল্লাহ বান্দাদের জন্য বিভিন্ন আমলের বিনিময় অগণিত অসংখ্য পুরস্কার ঘোষণা করেন। বিভিন্ন সময়ে আল্লাহ তাদের আমল করার সুযোগ দিয়ে তাদের নাজাতের ব্যবস্থা করেন। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা রমজান মাসকে স্বীয় বান্দাদের জন্য রহমত ও মাগফিরাতের মাস হিসেবে নির্বাচন করেছেন। আবার রমজান মাসের শেষ দশ দিনকে আরও বেশি গুরুত্ব দেন।

মুসলিম জীবনে সততা ও সত্যবাদিতা

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

187

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ

“হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক।” [ সূরা আত-তাওবা আয়াত- ১১৯ ]
আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ

وَالصَّادِقِينَ وَالصَّادِقَاتِ

“সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী (তাদের জন্য আল্লাহ ক্ষমা ও মহা পুরস্কার প্রস্তত রেখেছেন)।” [ সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৩৫ ]
আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ

সেনানিবাসে শূন্য পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

আবেদনের শেষ তারিখঃ ৩১ জুলাই ২০১৬

সংবাদ সম্মেলনের জন্য জায়গা দেয়া হচ্ছে না জাকির নায়েককে



ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য কোনো জায়গা পাননি ইসলামী বক্তা জাকির নায়েক।
বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, তিনটি পাঁচতারকা হোটেল এবং বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (ডব্লিউটিএ) জাকির নায়েককে সংবাদ সম্মেলনের অনুমতি দেয়নি।
ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (আইআরএফ) এক মুখপাত্র বলেছেন, বৃহস্পতিবারের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য এই জায়গাগুলো ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু বুধবার তা বাতিল করা হয়েছে। জাকির নায়েক বর্তমানে ভারতের বাইরে অবস্থান করছেন।
মুখপাত্র আরো বলেন, ‘এটি অদ্ভুত ও অন্যায়। কী হচ্ছে? দৃশ্যত, মুম্বাইয়ে অবস্থিত হোটেলগুলোকে জাকির নায়েকের সংবাদ সম্মেলনের ভেন্যু দিতে নিষেধ করা হয়েছে।’
আইআরএফ একটি বিকল্প জায়গা ঠিক করার চেষ্টা করছে বলেও এই মুখপাত্র জানান।
ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ভারতে জাকির নায়েকের ফিরে আসা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে গত চারদিনে দ্বিতীয়বারের মতো স্কাইপের মাধ্যমে তাঁর সংবাদ সম্মেলন বাতিল হলো।
জাকির নায়েকের মুখপাত্র আরো বলেন, জাকির নায়েক ইসলামবিষয়ক বক্তব্য দেওয়ার জন্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আফ্রিকা সফর করছেন। দুই সপ্তাহ পর তাঁর মুম্বাইয়ে ফেরার কথা রয়েছে।
ভারতে হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনাসহ কয়েকটি সংগঠন জাকির নায়েকের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (আইএএমআইএম) মতো কয়েকটি সংগঠন তাঁর সমর্থনে রাস্তায় নেমেছে।