Showing posts with label দারসুল কুরআন. Show all posts
Showing posts with label দারসুল কুরআন. Show all posts

দারসুল কুরআনঃ সূরা আনফাল ২৯-৩৭

দারসুল কুরআনঃ সূরা আনফাল ২৯-৩৭

মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ





সত্যবাদিতা

কুরআন ও হাদীছের পথ-নির্দেশিকা

আল-কুরআনুল কারীম:
 
1 -قُلْ إِنْ كانَتْ لَكُمُ الدَّارُ الْآخِرَةُ عِنْدَ اللَّهِ خالِصَةً مِنْ دُونِ النَّاسِ فَتَمَنَّوُا الْمَوْتَ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘তুমি বল, যদি অপর ব্যক্তিগণ অপেক্ষা বিশেষভাবে শুধু তোমাদের জন্যে আল্লাহর নিকট বাসস্থান থাকে, তবে তোমারা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’ (বাক্বারাহ ২/৯৪)।
২ -وَقالُوا لَنْ يَدْخُلَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ كانَ هُوداً أَوْ نَصارى تِلْكَ أَمانِيُّهُمْ قُلْ هاتُوا بُرْهانَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘এবং তারা বলে, যারা ইহুদী ও খ্রীষ্টান তারা ছাড়া আর কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, এটাই তাদের বাসনা। তুমি বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর’ (বাক্বারাহ ২/১১১)।
৩-الَّذِينَ قالُوا لِإِخْوانِهِمْ وَقَعَدُوا لَوْ أَطاعُونا ما قُتِلُوا قُلْ فَادْرَؤُا عَنْ أَنْفُسِكُمُ الْمَوْتَ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘যারা গৃহে বসে স্বীয় ভ্রাতৃগণের সম্বন্ধে বলেছিল, যদি তারা আমাদের কথা মান্য করতো, তবে নিহত হতো না; তুমি বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে নিজেদেরকে মৃত্যু হতে রক্ষা কর’ (আলে-ইমরান ৩/১৬৮)।

দারসূল কুরআন



দারসূল কুরআন
  মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ

اعْلَمُوا أَنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَزِينَةٌ وَتَفَاخُرٌ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرٌ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ ۖ كَمَثَلِ غَيْثٍ أَعْجَبَ الْكُفَّارَ نَبَاتُهُ ثُمَّ يَهِيجُ فَتَرَاهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَكُونُ حُطَامًا ۖ وَفِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَمَغْفِرَةٌ مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانٌ ۚ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُورِ
২০. ভালভাবে জেনে রাখো দুনিয়ার এ জীবন, একটা খেলা, হাসি তামাসা, বাহ্যিক চাকচিক্য, তোমাদের পারস্পরিক গৌরব ও অহংকার এবং সন্তান সন্তুতি ও অর্থ-সম্পদে পরস্পরকে অতিক্রম করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ এর উপমা হচ্ছে, বৃষ্টি হয়ে গেল এবং তার ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদরাজি দেখে কৃষক আনন্দে উৎফূল্ল হয়ে উঠলো ৷ তারপর সে ফসল পেকে যায় এবং তোমরা দেখতে পাও যে, তা হলদে বর্ণ ধারণ করে এবং পরে তা ভূষিতে পরিণত হয়৷ পক্ষান্তরে আখেরাত এমন স্থান যেখানে রয়েছে কঠিন আযাব, আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি৷ পার্থিব জীবন প্রতারণার উপকরণ ছাড়া আর কিছুই নয় ৷

দারসুল কুরআন


m~iv Avj gvÔDb
بسم الله الرحمن الرحيم
{أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ. فَذَلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ. وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ. فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ. الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ. الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ. وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ}
fvebyev`: ÔZzwg wK Zv‡K †`‡L‡Qv, †h Kg©dj‡K wg_¨v e‡j _v‡K? †m †Zv H e¨w³, †h GwZg‡K iƒpfv‡e Zvwo‡q †`q| Ges †m AfveMÖ¯’‡K Lv`¨`v‡b Drmvn cÖ`vb K‡i bv| myZivs cwiZvc †mB mvjvZ Av`vqKvix‡`i R‡b¨, hviv Zv‡`i mvjv‡Z Ag‡bv‡hvMx| hviv †jvK †`Lv‡bvi R‡b¨ Zv K‡i, Ges M„n¯’vjxi cÖ‡qvRbxq †QvULvU mvnvh¨ `v‡b weiZ _v‡KÕ| [Avj gvÔDb: 1Ñ 7]
bvwh‡ji mgqKvj: m~ivwU bvwh‡ji wel‡q `yÕai‡bi e³e¨ cvIqv hvq| ÔAvãyj­vn Beby ÔAveŸvm (iv.) I ÔAvãyj­vn Beby hyevBi (iv) †_‡K ewY©Z †h, m~ivwU gv°x| Aciw`‡K Avey nvBq¨vb Zvi cÖL¨vZ Zvdmxi ÔAvj evni“j gynxZÕ MÖ‡š’ ÔAvãyj­vn Beby ÔAveŸvm (iv), KvZv`v I `vnnvK †_‡K DØ„Z K‡i e‡j‡Qb: m~ivwU gv`vbx| Z‡e m~ivwUi Av‡jvP¨ wel‡qi w`‡K bhi w`‡j m~ivwU gv`vbx e‡jB g‡b nq| Z‡e knx` mvB‡q¨` KzZze in. Ôm~ivwU gv°x gv`vbxÕ G e¨³‡eiI GKwU PgrKvi mgš^q K‡i‡Qb †h, n‡Z cv‡i †kl 4wU AvqvZ gv`xbv‡ZB bvwhj n‡q‡Q| wKš‘ welq e¯‘i wgj I mv`„‡k¨i Kvi‡Y m~ivi gv°x AvqvZ¸‡jvi m‡½ Ry‡o †`qv n‡q‡Q| [dx whjvwjj KziAvb 6/3984]

সিয়াম সাধনা তাকওয়ার প্রশিক্ষণ !

সিয়াম সাধনা তাকওয়ার প্রশিক্ষণ !
মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ


Translation: O you who believe, fasting is prescribed for you, as it was prescribed those before you, that you become the pious.

অনুবাদ: “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর সিয়ামের ফরমান অবতীর্ণ হয়েছে যা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির ওপরও নাজিল হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়ার গুণাবলি অর্জন করতে পার ।

নামকরণ: বাকারা- গাভী । এ সূরার ৬৭ থেকে ৭১ আয়াত পর্যন্ত আয়াতে বনি ইসরাইল জাতির মধ্যে গাভী পূজার বিষয় আলোচনা এসেছে । আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমের সূরাসমূহের নাম নির্ধারণ করেছেন । কুরআনের মধ্যে সৃষ্টির কোন স্পর্শ নেই । যে সমস্ত শব্দ নামকরণের জন্য গৃহীত বলে তাফসিরকারীরা গ্রহণ করেছেন সেগুলো অতীব গুরুত্বপূর্ণ significant and symbolic) । এমনি এ সূরার নাম বাকারা অর্থাৎ গাভী । এই সূরায় গাভীসংক্রান্ত রচনামূলক একটি বাক্যও নেই । সূরাটিতে রয়েছে তাওহিদ আর শিরকের রূপক হিসেবে গাভীকে নেয়া হয়েছে আর তাকে কতলের নির্দেশ এসেছে ।

দ্বীনি দাওয়াতের কাজ করতে হবে চরম ধৈর্য্যরে সাথে

দ্বীনি দাওয়াতের কাজ করতে হবে চরম ধৈর্য্যরে সাথে

قد نعلم انه ليحزنك الذى يقولون فانهم لا يكذبونك ولكن الظالمين بايات الله يجحدون- ولقد كذبت رسل من قبلك فصبروا على ما كذبوا واوذوا حتى اتهم نصرنا ولامبدل لكلمت الله ولقد جائك من نبائ المرسلين -

সরল অনুবাদঃ

ইরশাদ হচ্ছে- হে মুহাম্মদ! আমি অবশ্যি জানি, এরা যেসব কথাবার্তা বলছে, তা তোমাকে বড়ই কষ্ট দিচ্ছে কিন্তু এরা তোমাকে মিথ্যা বলছে না বরং এ জালেমরা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর আয়াতকেই অস্বীকার করছে। তোমাদের পুর্বেও অনেক রসুলকে মিথ্যা বলা হয়েছে কিন্তু তাদের ওপর যে মিথ্যা আরোপ করা হয়েছে এবং যে কষ্ট দেয়া হয়েছে, তাতে তাঁরা সবর করেছে । শেষ পর্যন্ত তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌঁছে গেছে। আল্লাহর কথাগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারোর নেই এবং আগের রসুলদের সাথে যা কিছু ঘটে গেছে তার খবর তো তোমার কাছে পৌছে গেছে । (সুরা আনয়াম আয়াত নং ৩৩-৩৪)

পরিচিতি ও নামকরণঃ

সুরা আনয়াম পবিত্র কোরআনুল কারীমের ৬ষ্ঠ সুরা। এই সুরার ১৬ ও ১৭ রুকুতে কোন কোন গৃহপালিত পশু হারাম এবং কোনটি হালাল হওয়া সম্পর্কিত আরববাসীদের অন্ধ কাল্পনিক ও কুসংস্কারমুলক ধারনা বিশ্বাসকে খন্ডন করা হয়েছে। কিন্তু সুরাটির নামকরণ কোন শিরোনাম হিসেবে না করে অন্যান্য সুরার মত প্রতিকী বা চিহ্ণ হিসেবে ১৬তম রুকুর ১৩৬ নম্বর আয়াতে الانعام (গৃহপালিত পশু) শব্দটিকেই সুরাটির নামকরণ হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। আর এটা করা হয়েছে ওহীর নির্দেশেই। রাসুলুল্লাহ সঃ এর নিজস্ব কোন চিন্তা থেকে এ নামকরণ করেননি

দারসুল কুরআন



ياَيُّهَا الَّذِيْنَ امَنُوْا اسْتَعِيْنُوْا بِالصَّبْرِ وَالصَّلوةِ ج اِنَّ اللهَ مَعَ الصَّابِرِيْنَ0
وَلاَ تَقُوْلُوْا لِمَنْ يُّقْتَلُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتٌ ج بَلْ اَحْيَاءٌ وَّلكِنْ لاَ تَشْعُرُوْنَ 0
وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوْعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الاَمْوَالِ وَالاَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ط وَبَشِّرِ الصَّابِرِيْنَ 0

ভাবানুবাদ

১৫৩. ‘ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছো, সবর ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবর অবলম্বনকারীদের সঙ্গে আছেন।
১৫৪. আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়, তাদেরকে তোমরা ‘মৃত’ বলো না। তারা তো আসলে জীবিত। কিন্তু তোমরা তা অনুধাবন করতে পার না।
 ১৫৫. এবং আমি অবশ্যই তোমাদেরকে ভীতিপ্রদ পরিস্থিতি, ধা-অনাহার এবং অর্থ-সম্পদ, জান ও আয়-উপার্জনের লোকসান ঘটিয়ে পরীা করবো। এমতাবস্থায় যারা সবর অবলম্বন করবে, তাদেরকে সুসংবাদ দাও।’

শানে-নজুল

আল্লাহ তায়ালা ও মুহাম্মদ (স:) এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত


وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْراً أَنْ يَكُونَ لَهُمْ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلالاً مُبِيناً

Translation: And it is not right for a believing man or a believing woman, when Allah and his messenger have decided an affair for them, that they should claim any say in their affair . It any one disobeys Allah and his messenger, he is indeed or a clearly wrong path

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত, সে বিষয়ে কোন মুমিন নর নারীর ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার নেই। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সেত স্পষ্ট্যই পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ।
 (সূরা-আহযাব-৩৬)

ঈমানের অগ্নি পরীক্ষা দিয়ে জান্নাতে যেতে হবে




أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ

وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۖ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ

“মানুষ কি মনে করে নিয়েছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথাটুকু বললেই তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না ? অথচ আমি তাদের পূর্ববর্তীদের সকলকেই পরীক্ষা করে নিয়েছি। আল্লাহ তা’য়ালা অবশ্যই দেখবেন কে সত্যবাদী আর কে মিথ্যুক।” (সূরা আনকাবুত : ২-৩)

মুত্তাক্বীদের পরিচয়

الٰم- ذَلِكَ الْكِتَابُ لاَ رَيْبَ فِيْهِ هُدًى لِلْمُتَّقِيْنَ- الَّذِيْنَ يُؤْمِنُوْنَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيْمُوْنَ الصَّلاَةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ- وَالَّذِيْنَ يُؤْمِنُوْنَ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ وَبِالْآخِرَةِ هُمْ يُوْقِنُوْنَ- أُولَئِكَ عَلَى هُدًى مِنْ رَبِّهِمْ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ-

১. আলিফ লাম মীম। (এর অর্থ কেবলমাত্র আল্লাহ অবগত)। ২. এই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই। যা আল্লাহভীরুদের জন্য পথ প্রদর্শক।  ৩. যারা গায়েবে বিশ্বাস করে ও ছালাত কায়েম করে এবং আমরা তাদেরকে যে রূযী দান করেছি, তা থেকে ব্যয় করে।  ৪. যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ঐ বিষয়ে, যা আপনার প্রতি নাযিল করা হয়েছে এবং যা আপনার পূর্ববর্তীগণের প্রতি নাযিল করা হয়েছিল। আর পরকালীন জীবনের প্রতি যারা নিশ্চিত বিশ্বাস পোষণ করে। ৫. ঐসকল মানুষ তাদের প্রভুর দেখানো পথের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং তারাই সফলকাম। 

বর্ণিত আয়াতগুলিতে মুত্তাক্বীদের ৬টি গুণ বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে আয়াতগুলির তাফসীরসহ উক্ত গুণগুলির ব্যাখ্যা প্রদত্ত হ’ল-

আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাঃ এর পক্ষ হতে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত

দারসুল কুরআন ( সূরা-আহযাব-৩৬ )

 وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّـهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَن يَعْصِ اللَّـهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُّبِينًا 

Translation : And it is not right for a believing man or a believing woman, when Allah and his messenger have decided an affair for them, that they should claim any say in their affair . It any one disobeys Allah and his messenger, he is indeed or a clearly wrong path

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে উহাই চূড়ান্ত, সে বিষয়ে কোন মুমিন নর নারীর ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার নেই। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সেত স্পষ্ট্যই পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ।
(সূরা-আহযাব-৩৬)

দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহর পথে সক্রিয় থাকা জরুরি


بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
الَّذِينَ كَفَرُوا وَصَدُّوا عَن سَبِيلِ اللَّهِ أَضَلَّ
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَآمَنُوا بِمَا نُزِّلَ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَهُوَ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۙ كَفَّرَ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَأَصْلَحَ بَالَهُمْ [٤٧:٢
ذَٰلِكَ بِأَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا اتَّبَعُوا الْبَاطِلَ وَأَنَّ الَّذِينَ آمَنُوا اتَّبَعُوا الْحَقَّ مِن رَّبِّهِمْ ۚ كَذَٰلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ لِلنَّاسِ أَمْثَالَهُمْ [٤٧:٣


সরল অনুবাদঃ
“যারা কুফরি করেছে এবং আল্লাহর পথে চলতে বাঁধা দিয়েছে, আল্লাহ তাদের সমস্ত কাজকর্ম ব্যর্থ করে দিয়েছেন ।
আর যারা ঈমান এনেছে, নেক কাজ করেছে এবং মুহাম্মদের প্রতি যা নাজিল করা হয়েছে তা মেনে নিয়েছে - বস্তুত তা তো তাদের রবের পক্ষ থেকে নাজিলকৃত অকাট্য সত্যকথা - আল্লাহ তাদের খারাপ কাজগুলো তাদের থেকে দূর করে দিয়েছেন এবং তাদের অবস্থা শুধরে দিয়েছেন ।
কারণ হলো, যারা কুফরি করেছে তারা বাতিলের আনুগত্য করেছে এবং ঈমান গ্রহণকারীগণ তাদের রবের পক্ষ থেকে আসা সত্যের অনুসরণ করেছে । আল্লাহ এভাবে মানুষের সামনে তাদের উদাহরণসমূহ উপস্থাপন করেন (সঠিক মর্যাদা ও অবস্থান বলে দেন) ।” সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ১-৩