Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts
Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts

রাগ নিয়ন্ত্রণের ৮ উপায়

রাগ নিয়ন্ত্রণের ৮ উপায়
প্রশ্ন: যে সব মানুষ খুব তাড়াতাড়ি রাগ করে অথবা যারা খুব রাগী তারা কিভাবে তার রাগ কমাবে? এ বিষয়ে কুরআন-হাদীসে বর্ণিত কোন দোয়া ও পদ্ধতি থাকলে দয়া করে জানাবেন।

উত্তর:
আমাদের জানা দরকার যে, সব রাগ খারাপ নয়। কখনো কখনো রাগ প্রশংসনীয় আর কখনো নিন্দনীয়। যদি আল্লাহর উদ্দেশ্যে রাগ করা হয় এবং অন্যায় ও হারাম কাজ প্রতিরোধে রাগ ব্যবহার করা হয় তাহলে তা প্রশংসনীয়। বরং অন্যায় দেখে মনে রাগ সৃষ্টি হওয়া মজবুত ঈমানের আলামত। পক্ষান্তে ব্যক্তিগত স্বার্থে বা দুনিয়াবী ছোট-খাটো বিষয়ে রাগ করা নিন্দনীয়।

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

শরীয়ত সম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক করার শর্তাবলী

১- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আল্লাহর কোরআন অথবা, তাঁর নামসমূহ  অথবা তাঁর গুনাবলীসমূহ দ্বারা।
২- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আরবী বা অন্য যে কোনো ভাষায়, যার অর্থ জানা যায়।

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (১ম পর্ব)

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (১ম পর্ব)

সূচিপত্র
ক্রম
বিষয়সূচি
ভূমিকা
যিক্‌রের ফযীলত
যিক্‌র ও দো‘আসমূহ
1.                   
ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ
2.                  
কাপড় পরিধানের দো‘আ

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (২য় পর্ব)

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (২য় পর্ব)


১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
৩৪. দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দো‘আ

120-(1) «اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، ابْنُ عَبْدِكَ، ابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَداً مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ القُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلاَءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي».
 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু ‘আবদিকা ইবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল কুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী)।

অসুস্থ মানুষের জন্য যে সব দো‘আ বলা হয়

অসুস্থ মানুষের জন্য যে সব দো‘আ বলা হয়


অসুস্থ মানুষের জন্য যে সব দো‘আ বলা হয়

1/906 عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا: أنَّ النَّبيَّ ﷺ، كَانَ إِذَا اشْتَكَى الإنْسَانُ الشَّيْءَ مِنْهُ، أَوْ كَانَتْ بِهِ قَرْحَةٌ أَوْ جُرْحٌ، قَالَ النَّبيُّ ﷺ بِأُصْبُعِهِ هكَذا- وَوَضَعَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَة الرَّاوي سَبَّابَتَهُ بِالأَرْضِ ثُمَّ رَفَعَها- وَقَالَ: «بِسمِ اللهِ، تُرْبَةُ أرْضِنَا، بِرِيقَةِ بَعْضِنَا، يُشْفَى بِهِ سَقِيمُنَا، بِإِذْنِ رَبِّنَا». متفقٌ عَلَيْهِ
১/৯০৬। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, যখন কোন ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিজের কোন অসুস্থতার অভিযোগ করত অথবা (তার দেহে) কোন ফোঁড়া কিংবা ক্ষত হত, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ আঙ্গুল নিয়ে এ রকম করতেন।

দো‘আর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতিপয় দো‘আর নমুনা

দো‘আর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতিপয় দো‘আর নমুনা


আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ﴿ وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدۡعُونِيٓ أَسۡتَجِبۡ لَكُمۡۚ ٦٠ ﴾ (غافر: ٦٠) 
“তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমাকে ডাক আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।” (সূরা গাফের ৬০ আয়াত)
তিনি বলেন, ﴿ ٱدۡعُواْ رَبَّكُمۡ تَضَرُّعٗا وَخُفۡيَةًۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُعۡتَدِينَ ٥٥ ﴾ (الاعراف: ٥٤) 
“তোমরা কাকুতি-মিনতি সহকারে ও সংগোপনে তোমাদের প্রতিপালককে ডাক, নিশ্চয় তিনি সীমালংঘন কারীদেরকে পছন্দ করেন না।” (সূরা আ’রাফ ৫৫ অয়াত)
তিনি আরও বলেন,  وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌۖ أُجِيبُ دَعۡوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِۖ ١٨٦ ﴾ (البقرة: ١٨٦)    
“আর আমার দাসগণ যখন আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন তুমি বল, আমি তো কাছেই আছি। যখন কোন প্রার্থনাকারী আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।” (সূরা বাক্বারাহ১৮৬ আয়াত)

এমন দোয়া যা কবুল হয় না !

এমন দোয়া যা কবুল হয় না


এমন দোয়া যা কবুল হয় না

عَنْ أبَي هُرَيْرَةَ- رَضِيَ اللهُ عَنْهُ- قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلّمَ- أيُّهَا النَّاسُ إنّ اللهَ طَيِّبٌ لا يَقْبَلُ إلَّا طَيِّبًا، وَ إنَّ اللهَ أمَرَ المُؤْمِنِيْنَ بِمَا أمَرَ بِهِ المُرْسَلِيْنَ، فَقَالَ : يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ ( المؤمنون : ৫১) وَ قَالَ : يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ ( البقرة : ১৭২) ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيْلُ السَّفَرَ أشْعَثَ أغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إلَى السَّمَاءِ، يَا رَبِّ، يَا رَبِّ، و مَطْعَمُهُ حَرَامٌ، وَ مَشْرَبُهُ حَرَامٌ، وَ مَلْبَسُهُ حَرَامٌ، وَ غُذِيَ بِالْحََرامِ، فَأنَّى يُسْتَجَابُ لِذلِكَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ.
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে লোক সকল ! আল্লাহ তাআলা পবিত্র এবং তিনি শুধু পবিত্র বস্তুই গ্রহণ করেন। আল্লাহ তাআলা মোমিনদেরকে ঐ সকল নির্দেশই দিয়েছেন, যা তিনি দিয়েছেন তার প্রেরিত রাসূলগণকে। আর রাসূলদের প্রতি আল্লাহ তাআলার নির্দেশ ছিল এই যে, হে রাসুলগণ ! পবিত্র বস্তু আহার কর এবং সৎকাজ কর। তোমরা যা কর সে বিষয়ে আমি পরিজ্ঞাত।[১]

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে !

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

সমুদ্র ভ্রমণে বন্ধুর আমন্ত্রণ, না করতে পারেনি সাজিদ। অল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে পড়ল। প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বাহনে চেপে বসল। সী-ট্রাকের ছাদে দাঁড়িয়ে চারিদিকের মোহনীয় সব দৃশ্য দেখে জ্ঞান হারাবার পালা। প্রকৃতি এত সুন্দর? এত অপরূপ মহান স্রষ্টার সৃষ্টি? এ যে কল্পনাকেও হার মানায়। উপরের নীল আকাশ সাগরের রূপালী জলরাশিতে নীল চাদর বিছিয়েছে যেন, কি অপরূপ নীলাভ করে তুলেছে তাকে। বহুদূর থেকে ছুটে আসা দক্ষিণা সমীরণ তরঙ্গ তুলে আরো মোহনীয় করে তুলেছে। সমুদ্র গভীর থেকে জেগে উঠা তরঙ্গরাজি মহান আল্লাহর অসীম কুদরতের সাক্ষ্য দিচ্ছে যেন।

জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার এর প্রতিবাদ !

জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি
বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার
                                                এর প্রতিবাদ !
                                               -----------------------------------------------------
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দেয়ার পর বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও এই সিদ্ধান্তের কড়া নিন্দা জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছে জাতিসংঘ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, সৌদি আরব, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশ।
ট্রাম্পের এ স্বীকৃতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার এর চেয়ারম্যান এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ট্রাম্পের এ ঘোষণা অন্যায় এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন, যা ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যকে আগুনের কুণ্ডলীতে নিক্ষেপ করেছে। তার বিবেক-বর্জিত এই পদক্ষেপ শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওয়াশিংটনের ভূমিকাকে জলাঞ্জলি দিয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার এর চেয়ারম্যান আরো বলেন, যে দেশের শাসক এমন মুসলিমবিদ্বেষী ও একগুঁয়ে সে দেশের সাথে সকল মুসলিম দেশের সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত।
জেরুজালেম শহর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল-ফিলিস্তিনীদের মধ্যে বিরোধ চলছে। শুধু এই শহরটি নিয়ে দশকের পর দশক ধরে সহিংসতা ও রক্তপাত হয়েছে। ফলে কোন পক্ষকেই স্বীকৃতি না দেয়ার মার্কিন নীতি চলে আসছে বহুদিন ধরে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত কয়েক দশকের মার্কিন নীতিকে বদলে দিয়েছে। তার দায়িত্বজ্ঞানহীন এই স্বীকৃতির দরুণ পরবর্তী সকল অনাকাঙ্খিত ঘটনার দায় তাকেই নিতে হবে এবং অবিলম্বে তার মূর্খতাপ্রসূত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বিশ্ববাসীর কাছের ক্ষমা চাইতে হবে।

বাহাস, বিতর্ক, ঝগড়া ও গবেষণা

বাহাস, বিতর্ক, ঝগড়া ও গবেষণা

 
বাহাস বা ‘বহস’ শব্দটি আমাদের অতি পরিচিত একটি শব্দ। সাধারণভাবে আমাদের দেশের কাউকে এ শব্দের অর্থ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলবেন, এর অর্থ ‘ধর্মীয় বিতর্ক’ বা ধার্মিকদের ঝগড়া। তবে মূল আরবীতে ‘বাহাস’ অর্থ ঝগড়া নয়, এর অর্থ ‘অনুসন্ধান’ বা গবেষণা। গবেষণা ও বিতর্কের মধ্যে পার্থক্য খুবই সুস্পষ্ট।

পার্বত্য চট্টগ্রামে মুসলিমদের খ্রিষ্টান বানাচ্ছে খ্রিস্টান মিশনারীরা !

পার্বত্য চট্টগ্রামে অপ্রতিরুদ্ধ খ্রিস্টান মিশনারিরা

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে অপ্রতিরুদ্ধ খ্রিস্টান মিশনারিরা, তাদের প্রভাব এতটাই বেশি যে, অনেক সময় প্রশাসনকেও পাত্তা দিতে চায় না। এ প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক একটি ঘটনা উল্লেখ্য, ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫ মার্চ ২০১৪ বান্দরবান জেলায়। পার্বত্যনিউজসহ দুই-একটি অনলাইন মিডিয়ায় খবরটি যেভাবে এসেছে তার সারমর্ম হলো- ‘বান্দরবান ফাতিমা রানী চার্চ-এ মহিলা হোস্টেলের মেয়েদেরকে মিশনের ফাদার ও ব্রাদার কর্তৃক যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এরা সবাই বান্দরবান ডনবস্কো উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম থেকে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ১৫ মার্চ ৭১ জন ছাত্রী নদীতে গোসল করার নামে হোস্টেল থেকে বের হয়ে পালিয়ে গেলে ঘটনাটি জানতে পারে স্থানীয়রা। দুর্গম পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী দরিদ্র পিতা-মাতা বুক ভরা আশা নিয়ে তাদের সন্তানদের জেলা সদরে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করায়। এ সন্তানরা একদিন শিক্ষিত হয়ে মা-বাবা ও সমাজের মুখ উজ্জ্বল করবে। এমন প্রত্যাশায় পাহাড়ের দূরপল্লীর মেয়েরা ডনবস্কো উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ফাতিমা রানী চার্চ-এর হোস্টেলকেই নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। গত ১৫ মার্চ ৭১ জন ছাত্রী হোস্টেল থেকে পালিয়ে যায়। হোস্টেল থেকে পালিয়ে যাওয়া ছাত্রীদের কেউ কেউ আশ্রয় নেয় তাদের নিকট আত্মীয় ও বান্ধবীদের বাড়িতে। কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু ছাত্রীদের হোস্টেলে ফিরিয়ে আনলেও তাদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়নি মিডিয়াকর্মী এবং প্রশাসনকে।’

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে যা শেয়ার করা উচিত নয়

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: আমরা আমাদের দৈনন্দিক জীবনের অনেক তথ্যই সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোতে শেয়ার করি। আমাদের, আমাদের পরিবার এবং আমাদের বন্ধুদের এসব তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া দরকার আমাদের। অনলাইনে কিছু বিষয় শেয়ার করা একদমই উচিৎ না।

আল কুরআনের দিকে ফিরে আসা

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না 

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- 

 

quran-mosque
লেখকঃ উস্তাদ মুহাম্মাদ নাসীল শাহরুখ
بسم الله الرحمن الرحيم
মুসলিম হিসেবে দুনিয়া এবং আখিরাতে আমাদের সাফল্য, সম্মান ও মর্যাদা মাত্র একটি পথেই আসতে পারে – আর তা আল কুরআনকে আঁকড়ে ধরার মাধ্যমে৷ আল্লাহ তাআলা বলেন:
لَقَدْ أَنزَلْنَآ إِلَيْكُمْ كِتَبًۭا فِيهِ ذِكْرُكُمْ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি এক কিতাব নাযিল করেছি, যাতে তোমাদের জন্য উপদেশ ও মর্যাদা রয়েছে, তবুও কি তোমরা বুঝবে না?১
অর্থাৎ তোমাদের প্রতি আমি যে কিতাব নাযিল করেছি, সেই আল-কুরআনের অধ্যয়ন, এর শিক্ষা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তোমরা দুনিয়া ও আখিরাতে কাঙ্খিত মর্যাদা ও সাফল্য লাভ করতে পারবে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না যে তোমাদেরকে অন্যদের ওপর কী শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে?

ইউরোপীয় লেখকদের চোখে রাসূল (সঃ)

শাহমুন নাকীব ফারাবী

সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তচিন্তার নামে রাসূল (সঃ) এর সম্পর্কে কূৎসা রটানোর চেষ্ঠা করা হচ্ছে। আর মুক্তচিন্তার নামে এই অসুস্থ কর্মকান্ড উপমহাদেশের অন্যান্য যেকোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশে খুব বেশি হচ্ছে। কিন্তু তথাকথিত এই মুক্তচিন্তকরা যাদেরকে তাদের গুরু মনে করে সেই ইউরোপীয় লেখকরাও রাসূল (সঃ) কে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বই লিখেছে। ২০০০ সালে দামেস্কের ‘আল মুকতাবি’ নামক পত্রিকা একটি জরিপ করে। এবং সেই জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, মুহাম্মাদ (সঃ) সম্পর্কে ইউরোপের বিভিন্ন ভাষায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩০০ টি বই প্রকাশিত হয়েছে। আর তার মধ্যে অধিকাংশগুলোতেই রাসূল (সঃ) কে বিতর্কিত ভাবে উপস্থাপনের চেষ্ঠা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও সেই সব বই এ লেখকরা সত্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিষয়ক অধ্যাপক ডি.এস.মারগোলিয়াথ ১৯০৫ সালে রাসূল (সঃ) এর জীবনী নিয়ে “ হিরোজ অব দি নেশান্স” নামে একটি বই লিখেন। রাসূল (সঃ) এর জীবনী নিয়ে এর চেয়ে বিষাক্ত কিতাব আর একটিও লেখা হয় নি। এ বইয়ে লেখক প্রত্যেকটি বিষয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে রাসূল (সঃ) এর চরিত্রকে কলুষিত করবার চেষ্ঠা করেন। কিন্তু তারপরও বইটির ভূমিকায় তিনি লিখেছিলেন, [b]“মুহাম্মাদ (সঃ) এর জীবনীকারদের দির্ঘ  সিলসিলা শেষ হওয়া অসম্ভব। কিন্তু তাঁদের মধ্যে স্থান লাভ করা একটি বিরাট সম্মানের বিষয়।” [/b]

রাসূল (সা.)-এর শিক্ষানীতি


 


ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম
আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রথম বাণীটিই ছিল-‘‘ইকরা বিইসমি রাবিবকাল্লাযি খালাক। ‘‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, পড় দিয়েই শুরু হয়েছে সর্বকালের সেরা মানুষ আমাদের প্রিয় নবী মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ (সা.) এর মিশনের যাত্রা। আল্লাহ তায়ালা আদম থেকে শুরু করে সকল নবী এবং রাসূলদের শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করেই তাদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। আল্লাহ বলেন : ‘হে নবী! আপনাকে আমি এমন সব জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছি যা আপনিও জানতেন না এবং আপনার পূর্বপুরুষও জানতো না।’ (৬:৯২) আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানদক্ষতায় রাসূল (সা.) এতই পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন যে, শিক্ষা সম্প্রসারণে বিশ্বমানবতার মহান শিক্ষকরূপে তার আবির্ভাব হয়েছিল। সেজন্য রাসূল (সা.) নিজেও এ পৃথিবীতে রাষ্ট্র প্রধান, সেনাপতি কোন নামেই নিজের পরিচয় তুলে ধরেননি। বরং তিনি নিজিকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে এভাবে গর্ববোধ করেছেন। রাসূল (সা.) বলেন :
‘বুয়েস্ত্ত মোয়াল্লেমান’ ‘আমি মানবতার জন্য শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।’ আল্লাহ্পাক রাসূল করীম (সা.)-এর পরিচয় দেন এভাবে : ‘‘তিনি (আল্লাহ্) যিনি নিরক্ষর লোকদের মধ্য হতে তাদেরই একজনকে নবী হিসেবে উন্নীত করেছেন যিনি নবী-(সা.) তাদের কাছে আবৃত্তি বা পাঠ করেন তার (আল্লাহ) নিদর্শনসমূহ, তাদের পুত-পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও জ্ঞান; যদিও তারা পূর্বে মিথ্যা বিশ্বাসের অনুসারী ছিল।’’ [৬২:২]
হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন উম্মী। মানব রচিত কিতাব বা গ্রন্থজ্ঞান তিনি আহরণ করেননি। মানব রচিত গ্রন্থের শিক্ষা অর্জন না করার ফলে তিনি কোন লেখক বা গ্রন্থকারের মতবাদ দ্বারা পক্ষপাতদুষ্ট হওয়া থেকে ছিলেন পাক ও পবিত্র। কারণ গোটা বিশ্বের তথা বিশ্বমানবজাতির যিনি শিক্ষক, তিনি কি করে কোন মানুষ বিশেষের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন? তাহলে বিশ্বকে সার্বজনীন শিক্ষা দেবে কে? আর এ কারণেই আল্লাহ পাক তাঁর প্রিয় রাসূল (সা.)-এর

ধর্মীয় কাজে বাধা দানের পরিণতি

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- 

ভূমিকা : আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য এবং পৃথিবীতে তাঁর বিধান কায়েম করার জন্য। এ লক্ষ্যে মানবতার সঠিক পথের দিশারী হিসাবে এক লক্ষ চবিবশ হাযার নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন (আহমাদ, ত্বাবারানী, মিশকাত হা/৫৭৩৭)। তাঁরা যুগে যুগে মানুষকে সত্য-সুন্দরের পথ, কল্যাণের পথ, হেদায়াতের পথ প্রদর্শন করেছেন। সে পথে মানুষকে পরিচালনার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু মানুষ শয়তানের প্ররোচনায় ও তার কুমন্ত্রণায় হক্বের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। কখনোবা এ পথে মানুষ যাতে আসতে না পারে সেজন্য বাধা সৃষ্টি করেছে। ফলে ঐসব মানুষও শয়তানের ন্যায় অভিশপ্ত হয়েছে, জান্নাতের পরিবর্তে জাহান্নামের কীটে পরিণত হয়েছে। আলোচ্য নিবন্ধে হক্বের পথে, আল্লাহর পথে তথা দ্বীনের পথে বাধা দেওয়ার পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ। 

ইসলামে মাতৃভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গ : একটি পর্যালোচনা

        রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে -

unnamed
বাংলা ১৩৫৯ সালর ৮ ফাল্গুন। যা আজ ৬১ বছর ধরে এ দেশ মাতৃকায় একুশে ফেব্রুয়ারি নামে ভাষা আন্দোলনের স্মরণ দিবস হিসেবে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও গাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হয়ে আসছে। ১৯৯৯ সাল থেকে এ দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। মাতৃভাষা ব্যবহার এবং তার মর্যাদা রক্ষার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্দোলন হয়েছে এবং হচ্ছে। যথা তুরস্ক, বুলগেরিয়া, মধ্যএশিয়ার অঞ্চলসমূহ এবং ভারতের উত্তর প্রদেশ কিন্তু ভাষার জন্য রক্তদান বা নিহত হওয়ার ঘটনা বেল বাংলাদেশেই ঘটেছে। মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষার দীপ্ত শপথ নিয়ে বাংলার কিছু অকুতোভয় বীর সন্তান নিজেদের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে রচনা করে এক সূর্যস্নাত রক্তিম ইতিহাস। যা ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্যকে আরো গভীরে নিয়ে গেছে। অথচ এখানে একটি প্রশ্ন প্রায়ই অনেকের মনে দোলা দেয়, একটি ভাষা নিয়ে সমাজ পরিবেশ এতো উত্তেজিত করা বা আন্দোলনে যাওয়া এদেশবাসী মুসলিম হিসেবে ইসলামের দৃষ্টিতে কতটুকু মাননাসই? ইসলাম কি কোন ভাষার উৎকর্ষ সাধনের জন্য আন্দোলন চালাতে এসেছে? ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে ইসলামের ভূমিকা কী? এ নিয়ে অত্র আলোচনার অবতারণা।

আল্লাহর দৃষ্টি থেকে যারা বঞ্ছিত থাকবে !

আল্লাহর দৃষ্টি থেকে যারা বঞ্ছিত থাকবে !

আলহামদুলিল্লাহ,ওয়াস্সালাতু ওয়াস্ সালামুআলা রাসূলিল্লাহ। আম্মাবাদঃ

আল্লাহর দৃষ্টি থেকে যারা বঞ্ছিত থাকবে !
এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা কিয়ামত দিবসে দয়াময় আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্ছিত থাকবে, তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না আর না তাদের প্রতি সুনজর দিবেন। তাদের সংখ্যা অনেক। [আল্লাহর কাছে দুআ করি, তিনি যেন আমাদেরকে এই বঞ্ছিতের অনিষ্ট থেকে হেফাযতে রাখেন, এর কারণ থেকে দূরে রাখেন এবং সেই বঞ্ছিত সম্প্রদায় থেকেও দূরে রাখেন।]

অপসংস্কৃতির বেড়াজালে বন্দী যুবসমাজ


অপসংস্কৃতির বেড়াজালে বন্দী যুবসমাজ


সংস্কৃতি একটি জাতির প্রাণ। আর সভ্যতা হ’ল সেই জাতির দেহ স্বরূপ। প্রাণহীন দেহ সত্তার যেমন কোন মূল্য নেই, দেহহীন আত্নাও তেমনি মূল্যহীন। তাই বলা যায়, সংস্কৃতি ও সভ্যতা অনেকাংশে পরষ্পরের পরিপূরক। কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে আধুনিক বিশ্বের প্রতিযোগিতার ময়দানে একটি উন্নত জাতির রূপ পরিগ্রহ করার জন্য সংস্কৃতি চর্চা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই সংস্কৃতিহীন জাতি প্রাণহীন জড় পদার্থের ন্যায়। যার কোন কিছু করার ক্ষমতা থাকে না। কোন আত্না যদি মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, তাহ’লে সে আত্না যেমন ধীরে ধীরে অপ্রত্যাশিত কিন্তু অপ্রতিরোধ্য গতিতে চিরস্থায়ী বাস্তবতা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে থাকে, ঠিক তেমনি একটি জাতির আত্না নামক সংস্কৃতি যদি অপসংস্কৃতির মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, তাহ’লে সে জাতিও ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে পতিত হবে কিংবা অন্য জাতির উপনিবেশে পরিণত হবে।